Social Icons

twitterfacebookgoogle pluslinkedinrss feedemail
Showing posts with label আসন. Show all posts
Showing posts with label আসন. Show all posts

Wednesday, December 25, 2013

শবাসন




শবাসন যোগশাস্ত্রে বর্ণিত আসন বিশেষ।  শবের (মৃতদেহ) ভঙ্গিমায় এই  আসন করা হয় শবলেএর এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।
পদ্ধতি
১. দুই হাত শরীরের দুই পাশে মেলে রেখে সটান চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন। এই সময় হাতের তালু থাকবে উপরের দিকে এবং একটু বাইরের দিকে হেলানো থাকবে।
২. পা দুটোর মাঝে কিছুটা ফাঁক রাখুন। এই সময় পায়ের পাতা বাইরের দিকে একটু হেলে থাকবে।
৩. সমস্ত শরীরকে শয়ন তলের উপর ছেড়ে দিন। 
৪. খুব ধীরে ধীরে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে থাকুন। এবার মনকে সমস্ত চিন্তামূক্ত করুন এবং শরীরকে শিথিল করে দিন। তাতে প্রথমে শরীরটাকে ভার মনে হবে। পরে শরীরের উপস্থিতিকে ভুলে যাবার চেষ্টা করতে হবে। ফলে একসময় পুরো শরীরকে হাল্কা মনে হবে। মূলত এই  
আসনটি সহজ। কারণ এর দৈহিক  ভঙ্গিমা অত্যন্ত সহজ। আবার এটি সবচেয়ে কঠিনও বটে। কারণমনকে সংযত করেশরীরকে অগ্রাহ্য করেচিন্তাশূন্য অবস্থায় অবস্থান করাটা অতটা সহজ ব্যাপার নয়।
মূলত এই  আসনটি করা হয়অন্য আসনের শেষে বিশ্রাম করার জন্য। এক্ষেত্রে একটি  আসন যতক্ষণ করবেনঠিক ততক্ষণই শবাসন থাকবেন। অন্য 
আসন ছাড়াও শারীরীক ও মানসিক বিশ্রামের জন্য শুধু শবাসন করতে পারেন।  
উপকারিতা
১. উচ্চ-রক্তচাপের রোগীরা এই  আসনটি থেকে বিশেষ উপকৃত হবেন।
২. দীর্ঘক্ষণ শারীরীক বা মানসিক পরিশ্রমের পর শরীর অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়লেএই  আসন দ্বারা শারীরীক ও মানসিক শক্তি পুনরুদ্ধার  সম্ভব হয়।
৩. স্নায়বিক দুর্বলতাঅনিদ্রাঅবসাদ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য এই  আসন অত্যন্ত  ফলপ্রসু ফলাফল প্রদান করে থাকে।

পদ্মাসন


পদ্মাসন যোগশাস্ত্রে বর্ণিত আসন বিশেষ। এই আসনে পায়ের বিন্যাস পদ্মফুলের পাপড়ির মতো বিকশিত অবস্থায় স্থাপিত হয় বলে এর নামকরণ করা হয়েছে পদ্মাসন (পদ্ম + আসন)। এই আসনের কিছুটা পরিবর্তন করে বা অন্যান্য আসনের সাথে যুক্ত করেএর বিভিন্ন প্রকরণের সৃষ্টি হয়েছে। এই দুইটি শ্রেণী বিবেচনায় যে সকল পদ্মাসন পাওয়া যায়সেগুলো হলো
বর্ধিত পদ্মাসন ও মিশ্র আসন : 
অধমুখ পদ্মাসন, অর্ধবদ্ধ-পদ্মাসন, উত্থিত পদ্মাসনঊর্ধ্বমুখ পদ্মাসন, করণ্ডাসন,
গর্বাসনপদ্ম-ভুজপীড়াসন, তোলাসন, পরিবৃত্ত পদ্মাসন (বদ্ধ-পদ্মাসন), পর্বতাসন স্বস্তিকাসন।অন্য আসনের সাথে যুক্ত পদ্মাসন : অর্ধবদ্ধপদ্ম-পশ্চিমোত্তানাসন, অর্ধবদ্ধপদ্ম-পশ্চিমোত্তানাসন, অর্ধবদ্ধপদ্ম-ময়ূরাসনঊর্ধ্ব-পদ্মশীর্ষাসনপদ্ম-ময়ূরাসনপিণ্ডাসন।
 

পদ্ধতি
১. প্রথমে দুই পা লম্বা করে সামনের দিকে ছড়িয়ে দিয়ে কোন সমতল স্থানে বসুন। 
২. এবার ডান পা টেনে এনে বাম পায়ের উপর এমনভাবে স্থাপন করুনযেনো ডান পায়ের পাতা বাম উরুর কুচকি বরাবর স্থাপিত হয়। এবার বাম পা ভাঁজ করে ডান উরুর উপরে তুলে আনুন।
৩. এবার মেরুদণ্ড সোজা করে দুটো হাত সোজা করে উভয় হাঁটুর পাশে রাখুন। পায়ের পাতা আলগা করে দিন। একই সাথে হাতের আঙুলগুলো আলগা করে দিন। 
৪. শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে এইভাবে ৩০ সেকেণ্ড স্থির থাকুন। তারপর পা বদল করে আসনটি আবার করুন। এরপর আসনটি শেষ করে ১ মিনিট 
শবাসনে বিশ্রাম নিন।
৫. প্রাথমিক পর্যায়ে এই আসনে থাকাটা কষ্টকর মনে হলে সময়সীমা কমিয়ে দিতে পারেন। আবার অভ্যস্থ হয়ে গেলেআসন সময় ৬০ সেকেণ্ড পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারেন।
  
উপকারিতা
১. হাটুকোমরে বাত থাকলে নিরাময় হয়।
২. পায়ের ও মেরুদণ্ডের আড়ষ্টতা দূর হয়।
৩. স্মৃতি শক্তি ও মনের একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়।
৪. অনিদ্রাজনিত অসুবিধা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।


 

Nataraja


Nataraj
Nataraja

Tantrik

Tantrik
Tantrik

Yabyum

Yabyum
Yabyum